প্রাচীনকালে অবন্তীনগরে এক বৃদ্ধ ব্যবসায়ী ছিল। যৌবন বয়সে ওই ব্যবসায়ী বহু দেশ ঘুরে, বহু দেশ থেকে জিনিস এনে, বিক্রি করে অনেক লাভ করেছিল। শুধু আনা নয়, এই দেশের জিনিস বিদেশে নিয়ে গিয়ে বেশি দামে বিক্রি করে অনেক লাভ করত। তার অনেক অর্থ সঞ্চিত হল বটে, কিন্তু এই অর্থের জন্যেই বার্জক্যে তার মনে দুশ্চিন্তা ঢুকল। কারণ তার দুই ছেলের মধ্যে, বড় এবং মেজো- জীবদত্ত এবং লক্ষণদত্ত অত্যন্ত কুঁড়ে ছিল। আর যাই হোক ব্যবসার প্রতি তাদের কোনো আসক্তি ছিল না।
জীবদত্ত এবং লক্ষণদত্ত প্রচুর টাকা খরচ করত, যেখানে সেখানে ঘুরে বেড়াত।
ছোটছেলের নাম ছিল পিঙ্গল। তার বয়স তখনও কুড়ি বছর হয়নি। ছেলেদের নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে করতে, মৃত্যুর আগে ওই বৃদ্ধ ব্যবসায়ী বিষয়সম্পত্তি স্ত্রী এবং পুত্রদের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দিল।
বাপের মারা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জীবদত্ত এবং লক্ষণদত্ত নিজেদের ভাগের
টাকাপয়সা দুহাতে খরচ করতে লাগল। দুই ছেলের কাণ্ডকারখানা দেখে তাদের মা ভাবল, 'আমি যদি জীবদত্ত এবং লক্ষণদত্তের সঙ্গে থাকি তাহলে এরা নিজেদের ভাগে যা পেয়েছে তা খরচ করার পর আমার এবং পিঙ্গলের ভাগের দিকে হাত বাড়াবে।' এইকথা ভেবে সে ছোট ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে আলাদাভাবে থাকতে লাগল।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""