এই পরাবাস্তববাদী উপন্যাসে আচার্য নাগার্জুনের জীবনের অনেক না জানা তথ্য যেমন জানা যায়, তাঁর সুগভীর দর্শনের অন্তরতম প্রদেশ পর্যন্ত একটা অভিযাত্রাও সম্ভব হয়ে ওঠে। করোনাকালের আবহে এই অ্যাপার্টমেন্টে অন্তরণকাল কাটাতে গিয়ে মূল চরিত্রটি নাগার্জুন অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে যাওয়ার পথ খুঁজে পায় না। এই অ্যাপার্টমেন্টের প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি যেমন তার যাতায়াতকে সীমাবদ্ধ এবং নিয়ন্ত্রণ করে রাখতে চায়, তেমনি সেই শক্তি তাকে তাদের নিজস্ব এক গোপন অ্যাজেন্ডা পরিপূরণে ব্যবহার করতেও প্রয়াস করে। মূল চরিত্রটি কখনো সেই প্রাতিষ্ঠানিক শক্তির সঙ্গে সংঘাতপূর্ণ, কখনো আপোসকামী আবার কখনো বা সে পাল্টা নিয়ন্ত্রণ করতে চায় সেই প্রাতিষ্ঠানিক শক্তিকে। এক ধরনের মাস্টার-স্লেভ ডায়ালেক্টের কিছু সুনিপুণ রাজনৈতিক খেলা চলতে থাকে। মূল চরিত্রটির প্রতিটি চেষ্টা তাকে পরিচিত করে চলে নাগার্জুনের ঐতিহাসিক-পৌরাণিক ব্যক্তিত্ব এবং মাধ্যমিক দর্শনের সঙ্গে। সুগভীর মনস্তত্ত্ব, দর্শন এসবের সঙ্গে গল্পের থ্রিলার উপাদানও এই উপন্যাসে যথেষ্ট পরিমাণে আছে। এই উপন্যাসের চরিত্ররা কেউ ঠিক রক্ত মাংসের মানুষ নয়,
প্রতিটি চরিত্র যেন নিজের আবরণ ছেড়ে ফেলে এক একটি নগ্ন আত্মা।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""