অপ্রিয় বস্তু, ব্যক্তি বা সংগঠনকে বিকৃত বা ইতর শব্দ দিয়ে অপমানিত করার প্রচলন খুব নতুন নয়। ইতিহাসের বিভিন্ন পর্বে, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের মধ্যে এর প্রচলন ছিল, আছে ও থাকবে। মস্তিষ্কে খুব বেশী চাপ না দিয়ে যদি শুধু বর্তমান সময়েই রাস্তাঘাটে বা সোস্যাল মিডিয়ার দিকে দেখি, তাহলেও এর বহু উদাহরণ পাবো। যেমন মার্ক্সবাদীদের 'মাকু', সেকুলারদের 'সেকু' কিংবা কেন্দ্রীয় সরকারের কাজকে দিবারাত্রি প্রশংসা করা মিডিয়াকে "গোদি মিডিয়া" বলে ডাকা, হামেশাই হয়ে থাকে। এই কাজকে ভারী অন্যায় বলে দাগিয়ে দেওয়ার পক্ষপাতীও আমি নই। "ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন" যে দেশের আবালবৃদ্ধবনিতাকে স্পেশাল অর্গাজম দেয়, তার বিরোধিতা করে নিজের ভাত মারতে চাই না। তবে পুস্তকের প্রসঙ্গক্রমে প্রয়োজন ভিত্তিক আলোচনা করার চেষ্টা করবো, বিকৃত নামে ডাকার পিছনে থাকা মনস্তত্ত্বকে।
যাইহোক, বিকৃত নামে ডাকার এই বহুল প্রচলিত ধারা অনুসারে "রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ"-এর স্বয়ংসেবক, যাদের আবার অনেকে সদস্য বলে ডাকেন বা ভাবেন, তাদের বিকৃত উপনাম হলো "চাড্ডি"। পরাধীন ভারতের "বোম্বে" প্রভিন্সের অন্তর্গত নাগপুর শহর থেকে শুরু হওয়া একটি সংগঠন, কিভাবে আজ বিশ্বের সর্ববৃহৎ অরাজনৈতিক সংগঠনে পরিণত হলো? কেনই বা এই দেশেরই এক বৃহৎ অংশের মানুষ স্বয়ংসেবকদের "চাড্ডি" বলে ডেকে নিজ নিজ অর্গাজম পান, সেটির নিরপেক্ষ, সৎ এবং পক্ষপাতিত্ব হীন বিষয়কে সামনে রাখাই, পুস্তকের মূল উপজীব্য।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""