বৈশালী যোশী কেন লিখছি এবং কী ধরনের চরিত্র, তা নিয়ে প্রথম খণ্ডে বিস্তারে বলেছি। দ্বিতীয় খণ্ডে তাই নিয়ে আর নতুন করে কিছু বলার নেই। প্রথম খণ্ডে যেসব পাঠকের ভালোবাসা বৈশালী পেয়েছে- মূলত তাঁদের দাবিতেই আরও দুটি উপন্যাস ও তিনটি বড়োগল্প নিয়ে এই গ্রন্থ প্রকাশিত হল।
এর মধ্যে 'আকাশ-যুদ্ধ' উপন্যাসটি, নয়ের দশকের আর্থিক উদারীকরণের আশীর্বাদ পাওয়া অন্যতম বাণিজ্য-অসামরিক বিমান পরিবহণের কাহিনি। যেখানে Corporate Espionage প্রতিযোগী সংস্থা থেকে গুরুত্বপূর্ণ লোক-ভাঙানো, বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলোর গলা কাটা অনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং রাজনৈতিক নেতা ও আন্ডারওয়ার্ল্ড ডনেদের বিমান সংস্থাগুলো ঘিরে মাখন খাওয়ার বাস্তব-কাহিনি।
এই উপন্যাসটির মূল উপজীব্য, একদিকে মুম্বাইয়ের প্রকাশ্য রাজপথে শিল্পপতি ইস্ট-ওয়েস্ট এয়ারলাইন্সের মালিক থাকিউদ্দিন ওয়াহিদের দুঃসাহসিক হত্যাকান্ড ও অন্যদিকে জে জে হাসপাতালে নয়ের দশকে কুখ্যাত একটি শুটি আউট। বহুমাত্রিক একটা বিশাল ষড়যন্ত্রে, একদিকে বৈশালী এবং অন্যদিকে মুম্বাই পুলিশ, নিজের নিজের মতো করে খুঁজতে থাকে অপরাধীর পদচিহ্ন। রাজনীতির রাঘববোয়াল আর লুটিয়ান দিল্লির প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক নেতাদের খুঁটির গোপন চাল- আন্ডারওয়ার্ল্ডের অন্ধকার, যৌনতা আর ধোঁকার ষড়যন্ত্র এবং নয়ের দশকের উদারীকরণের ঊষালগ্নে প্রাইভেট সংস্থাগুলোর কর্পোরেট দাবা খেলায় পরস্পরকে কিস্তিমাতের ধারাবাহিক উত্তেজনার কর্পোরেট লড়াই- এই ত্রিভুজে আটকে থাকা একটি থ্রিলার কাহিনি 'আকাশ যুদ্ধ', আশাকরি পাঠকের ভালো লাগবে। সঙ্গে সাংবাদিক বৈশালী যোশী ও সম্পাদক এম কে তো আছেই।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""