মুঘল সম্রাট আকবর বাদশাহের প্রিয়পাত্র ছিলেন জাহাঙ্গিরের পুত্র শাহজাদা খুসরু মির্জা।
এতটাই প্রিয়পাত্র ছিলেন যে মুঘল দরবারে পুত্র জাহাঙ্গিরের থেকেও পৌত্র মুসক্ত মির্জাকে বেশি গুরুত্ব দিতেন আকবর।
জাহাঙ্গিরের জীবনযাত্রা নিয়ে বিরক্ত আকবর ঠিক করেছিলেন তাঁর উত্তরাধিকারী হিসেবে মুখল সম্রোজ্যের প্রধান হবেন শাহজাদা খুসরু মির্জা। আকবরের এই মনোভাব
জাহাঙ্গিরকে ক্ষুদ্ধ করেছিল। এতটাই ক্ষুব্ধ করেছিল যে জাহাঙ্গির নিজের জ্যেষ্ঠ পুত্র খুসককে প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবতে শুরু করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত আকবর অবশ্য খুসরু নয়, জাহাঙ্গিরকেই মুঘল সাম্রাজ্যের অধিকার দিয়ে যান। কিন্তু খুসক্ত কখনো জাহাঙ্গিরকে বাদশাহ হিসেবে মেনে নিতে পারেননি।
আফগানদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তিনি জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে বসেন।
জাহাঙ্গিরের মাতা আকবর -পত্নী বেগম মরিয়ম উজ জামানি এবং জাহাঙ্গির পত্নী খুসরুর মাতা মনভবানী বাঈ পিতা পুত্রের এই দ্বন্দ্বে কষ্ট পেয়েছেন। পিতা-পুত্রের দ্বন্দ্ব মেটাতে না পেরে মনভবানী শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যা করেন। মুঘল দরবারের রাজনীতি, পিতা -পুত্রের দ্বন্দ্বের পাশাপাশি
খুসরুর প্রতি জাহাঙ্গিরের আকুলতাও কিছু কম ছিল না। পিতার উপর অভিমানী ছিলেন খুসরুও। যুদ্ধ, রাজনীতি, হিংসা, প্রেম সব মিলিয়েই এই উপন্যাসের কাহিনি বিন্যাস। যার পরিণতিটি বিয়োগান্তক।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""