দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জেলার ফলতা থানার অন্তর্গত পাঁচলোকী গ্রামে ১৯৫২ সালের অক্টোবর মাসের দুর্গা-মহাসপ্তমী তিথি শুক্রবার সূর্যোদয়কালে জন্ম। পিতা স্বর্গীয় নিতাই চন্দ্র দাস ও মাতা সরস্বতী দেবী। পাঁচ ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনিই যুধিষ্ঠির। ১৯৭২ সালের নভেম্বরে পিতৃবিয়োগ। তখন থেকেই সংসারের পুরো দায়িত্ব নিজ ঘাড়ে। তাই প্রবল ইচ্ছা সত্ত্বেও তখন উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারেননি এই কৃতী ছাত্র, যা সম্ভব হয় পরবর্তী সময়ে।
তাঁর লড়াকু মানসিকতায় ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সিপিটি-তে অস্থায়ী পদে চাকুরী লাভ ও পরে ওই বছরের নভেম্বর মাসে ফলতা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে অব অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে নিযুক্ত হন। ১৯৮০ সালের জুলাই মাসে দক্ষিণ-পূর্ব রেলে গ্রু আর-আর-বি বাণিজ্যিক গ্রুপে আম্রা বিভাগে বুকিং ক্লার্ক হিসাবে স্থায়ী চাকুরীতে যোগদান করেন। ১৯৮৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বদলি হয়ে এলেন কলকাতার ওন্ড কয়লাঘাটের আপার ক্লাস অগ্রিম টিকিট সংরক্ষণ অফিসে। অবশেষে ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে ঐ অফিস থেকেই চিফ বুকিং সুপারভাইজার পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন।
১৯৮৮ সালের সালের মার্চ মাসে ফলতা থানার অন্তর্গত মালিপুকুর গ্রামের বাসিন্দা জহরলাল ও বসুমতী মণ্ডলের জ্যেষ্ঠা কন্যা শিখারাণীর সাথে পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন। ১৯৯১ সালের এপ্রিল মাসে একমাত্র পুত্র শুভ্রাংশু রঞ্জন দাসের জন্ম হয়।
২০০৬ সালে তিনি একান্ত ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় তৈরি করেন "সমাজবন্ধু সত্যরঞ্জন দাস সেবা প্রতিষ্ঠান"। এছাড়াও বর্তমানে তিনি ২০টি সংগঠনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তিনি এখন শুধুই সংগঠনের কাজ ও কাজের ফাঁকে লেখালেখি নিয়ে ব্যস্ত। প্রকাশিত হয়েছে "মহাজীবনের পথে" ১ম ও ২য় খন্ড, "শ্রীশ্রী একাদশী ব্রত মাহাত্মা", "গদ্যে ও ছন্দে রামায়ণ", "কিছু কথা কিছু কাহিনী", "অজানা একুশ স্মরণে", "ঠাকুরবাড়ির মৃণালিনী বলছি", "জোড়াসাঁকোর কাদম্বরী দেবী", "যা মনে এল", "সরস রম্যরচনা", "মানা না মানা", "সরস রম্যবিচিত্রা", "চার দেবীশক্তি" ইত্যাদি। এছাড়াও ছোট গল্প, কবিতা ও রম্যরচনা স্থানীয় পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত প্রকাশ পেয়ে চলেছে। তিনি এখন সরকারি নথিভুক্ত এক সাংবাদিক, স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় তিনি নিয়মিত সংবাদদাতা হিসাবেও পরিচিত।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""