কবি ও কবিতার প্রতি গভীর অনুরাগ আমার। সেই প্রাইমারি স্কুলে পড়ার সময় থেকে উচ্চকণ্ঠে আবৃত্তি করতাম রবীন্দ্রনাথ, নজরুল ও সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতা। কলেজে পড়ার আগে পর্যন্ত জীবনানন্দ বা সুধীন্দ্রনাথ দত্তের কবিতায় উৎসাহ পাইনি। পরে যখন পড়েছি, ভেবেছি রত্নগুহার সন্ধান পেলাম। যখন অধ্যাপনা করি, তখন চন্দননগরের বাড়িতে শুরু করি জীবনানন্দ-চর্চা-কেন্দ্র। প্রতি মাসে সাহিত্য পাঠের আসর হত। বের হতো দ্বিভাষিক ফোল্ডার। পরের সময়াভাবে ও সাহায্য করার মত কাউকে না পেয়ে বন্ধ করে দিই। আমার পুত্র ঋতম সেই কেন্দ্র পুনরায় চালু করার চেষ্টা করছে। দু একটি অনুষ্ঠানও করেছে অবশ্য।
জীবনানন্দ নিয়ে অনেকগুলি বই আমি লিখেছি। তবু মনে হয় তাকে জানা, বোঝা শেষ হলো না। রবীন্দ্রনাথের পরে জীবনানন্দই বহুমাত্রিক। এ বছর তাকে নিয়ে প্রবন্ধ লিখি। জানিনা পাঠকেরা কিভাবে পড়বেন বা গ্রহণ করবেন। তারা খুশি হলে আমার চিন্তা ও শ্রম সার্থক হবে। তাঁর জন্মের ১২৫ বছর পূর্তিতে এ আমার শ্রদ্ধার্ঘ্য।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""