উপন্যাস সমগ্র দ্বিতীয় খণ্ডে সংকলিত হল চলনবিল, মহামতি রাম ফাঁসুড়ে, নীলমণির স্বর্গ এবং কেরী সাহেবের মুন্সী। 'চলনবিল' উপন্যাসটি 'জোড়াদীঘির চৌধুরী পরিবার'-এর পরবর্তী অংশ। উত্তরবঙ্গের ইতিহাসে এই চলনবিল গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে। এ বিলটি একদিন ছিল প্রতাপশালী ডাকাত-জমিদারদের ডাকাতির জায়গা। 'মহামতি রাম ফাঁসুড়ে' ব্যঙ্গ কৌতুক গল্পোপন্যাস। গ্রন্থটি নায়কের উত্তর পুরুষদের হাতে তুলে দিয়ে প্রমথনাথ বিশী বলেছেন- 'তারা সব অন্য নামে আছেন মর্তলোকে'। পাঠক আখ্যানটি পড়ে মজা পাবেন। অবশ্য লেখক যতটা হাসিয়েছেন, ঠিক ততটা ভাবিয়েছেন। 'নীলমণির স্বর্গ' উপন্যাসে রয়েছে একটি নদী- সুবর্ণরেখা। উপন্যাসে নীলমণি কোনও মানুষের নাম নয়। তা একটি ভালুক। মনুষ্যেতর জীবকুলের প্রতি কবি-শিল্পীদের যে দরদী কলম বাংলা সাহিত্যের অনেক উল্লেখযোগ্য রচনা সৃষ্টি করেছে, এক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে। 'কেরী সাহেবের মুন্সী' উপন্যাসটি বঙ্গসাহিত্যের মূল্যবান সংযোজন। কলকাতাকে কেন্দ্র করে রচিত বাঙালি জীবনবোধের এক শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার আলোচ্য উপন্যাসের মূল উপজীব্য। ইতিহাস-আশ্রিত এই উপন্যাসটিতে অষ্টাদশ শতাব্দীর সমাপ্তি ও ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রারম্ভের ২০ বছর সময়কালের ঘটনা পরিব্যাপ্ত।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""