ধর্ম-বিজ্ঞান দ্বৈরথে তৃতীয় মাত্রা হল রাষ্ট্র। পশ্চিম ইউরোপের রেনেসাঁস-উত্তর এনলাইনমেন্ট-এর প্রভাবে সেই 'অর্থোডক্স' অচলায়তনে একটু চিড় ধরলেও, তাকে প্রতিহত করার জন্য দরকার পড়ল বলশেভিক বিপ্লবের; আধুনিক বিজ্ঞান আর প্রযুক্তি সেই নতুন রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর আমেরিকান রাষ্ট্রর ওপর পড়ল 'ইন্ডাস্ট্রি-মিলিটারি-সায়েন্স কমপ্লেক্স'-এর সর্বময় ছায়া। এশিয়াতে সম্রাট মেইজির আমলে ধর্মীয় আগল ভেঙে জাপানও কিছুদিনের মধ্যে অতিজাতীয়তাবাদী রাষ্ট্রর ছত্রচ্ছায়ায় চলে এলো বিশ্ববিজ্ঞান গবেষণার সামনের সারিতে।
কনফুশীয় ধর্মভাবনার অন্ধগলি থেকে বিশ্ববিজ্ঞানের রাজপথে প্রবেশের জন্য চীনকে সুপরিকল্পিত বিপ্লব ঘটাতে হল; সেখানে রাষ্ট্রই বিজ্ঞানের নিয়ন্তা শক্তি। প্রশ্ন: চীন, জাপান, রাশিয়া, আমেরিকা প্রভৃতি বিজ্ঞানোন্নত দেশে প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের নিয়ন্ত্রণ বিভিন্ন মাত্রায় পিছু হঠলেও রাষ্ট্র কি ধর্মেরই মতো শ্বাসরোধী ভূমিকা পালন করছে? এইসব প্রশ্ন নিয়েই দ্বিতীয় পর্ব অবিরত দ্বৈরথে বিজ্ঞান: ইসলামি বলয়, চীন, জাপান, রাশিয়া।