৬০০ থেকে ৫০০ খ্রিস্ট পূর্বাব্দের কোনো এক সময়ে প্রাচীন ভারতের বৈশালী নগরীতে অজ্ঞাত পরিচয় কোনো এক মাতার গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন এক কন্যা আর পরিতাক্ত হন এক আম্রকুঞ্জে। সেই কারণেই তাঁর নাম হয় 'আম্রপালী'।
তবে এই চরিত্রের ঐতিহাসিক সত্যতা নিরূপণ করা সত্যিই দুঃসাধ্য যদিও রাজা বিম্বিসারের সময়ে ভারতে আসা নানান চীনা পরিব্রাজকের লেখায় এই নারী ও বিম্বিসার সম্পর্কে কিছু কথা জানা যায়। তবে পালি ভাষায় রচিত সেই সময়কার 'আস্বপালিকা' সুত্তে আম্রপালীর জীবনের শেষাংশের (যখন তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ। করেন) উল্লেখ পাওয়া যায়।
যাই হোক, কুমারী অবস্থা থেকেই অনিন্দ্যসুন্দরী ও নানা কলাবিদ্যায় নিপুণা অপাপবিদ্ধা আম্রপালী হয়েছিলেন পুরুষতন্ত্রের শিকার এক চির বঞ্চিতা নারী আর তাই বৈশালীর সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিবর্গ তাঁকে একান্ত নিজের করে পাবার আকাঙ্খা পোষণ করতেন। সেজন্য নিজেদের মধ্যে বিবাদ এড়াতে রাষ্ট্রযন্ত্র তাঁকে আখ্যা দেয়-'বৈশালী জনপদ কল্যাণী'। আর এভাবেই আম্রপালী হয়ে যান এক 'নগরবধূ'।
অন্যদিকে আম্রপালীর রূপের টানে আকর্ষিত হন ভাজ্জি গণপ্রজাতন্ত্রের সন্তান্তরা ছাড়াও অন্যান্য মহাজনপদের সম্ভ্রান্ত গোষ্ঠীও। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য রাজা বিম্বিসার ও তাঁর পুত্র অজাতশত্রু। ফলে একসময় বৈশালীর সঙ্গে অন্য মহাজনপদের যুদ্ধ হয়ে পড়ে অবশ্যম্ভাবী।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""