কেন পড়বেন আপনি সেই উপন্যাস, যার নায়িকার কোনো নাম নেই? উত্তরটা ভাবার আগে, আপনি নারী
কিংবা পুরুষ যাই হোন না, কেন একটু ভাবুন সেইসব ধর্ষিতা মেয়েদের কথা, সমাজ সৌজন্যবশত যাদের নাম প্রকাশ করে না। আচ্ছা যে মেয়েটি নিজের ভালোবাসার পুরুষকে সর্বস্ব সমর্পণ করে আর তারপর একদিন জানতে পারে যে সেই পুরুষটি তাদের নিভৃততম মুহূর্ত লোক ডেকে দেখিয়েছে, হাট করে দিয়েছে, সেই মেয়েটিকেও কি ধর্ষিতা বলা চলে?
যদি উত্তর হয়, 'না', তাহলে কী বলবেন আপনি সেই মেয়েটাকে, প্রাণ দিয়ে ভালোবেসে যে দেখেছে, এই সমাজ নগ্ন করতে পারে না, উলঙ্গ করতে পারে শুধু? যদি নিজের অনাবৃত শরীর মেলে ধরে ক্যামেরার সামনে আর সেই ছবি ইউটিউবে আপলোড হওয়ামাত্র তোলপাড় পড়ে যায় সমাজে কারণ লক্ষ-লক্ষ লোক তাকে চোখ দিয়ে চেটে, চুষে, খুবলে খাচ্ছে তাহলে দোষ কার? ভালোবাসার কাঙাল সেই মেয়েটির (যাকে যে-কোনো নামেই ডাকা যেত) না আমার-আপনার-সবার? বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর এই তীব্র কৌতূহলের মর্মস্পর্শী উপন্যাস সেই প্রশ্নেরই মোকাবিলা করেছে, সাহস আর সততার সঙ্গে; গতানুগতিক থোড়-বড়ি-খাড়া লেখালিখিকে অগ্রাহ্য করে সৃষ্টি করেছে বাস্তবের এমন এক আশ্চর্য আখ্যান, কল্পনাও যার মুখোমুখি দাঁড়াতে ভয় পায়।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""