66 চেকোস্লোভাকিয়া আমার যাওয়া হয়নি। দীর্ঘ ইউরোপ প্রবাসে আমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু অর্টউইনকে নিয়ে তার পৈত্রিক ভিটের খোঁজে প্রথমবার যে দেশে পা রেখেছি সেটি দু-ভাগ হয়ে গিয়ে শুধুমাত্র চেকিয়া। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে অটউইনের পিতা-মাতা দু'মাসের শিশুকে নিয়ে কয়েকশো বছরের স্মৃতি, বাড়ি-ঘরদোর ফেলে একবস্ত্রে চলে আসেন পশ্চিম জার্মানিতে। মেদোনস্ত গ্রামে অর্ট'উইনের এই আকস্মিক আবির্ভাবের কারণে বন্ধ হয়ে যেতে দেখেছি।
মানুষের মনে সন্দেহ সংশয়ের ছায়া দেখেছি-এই মানুষটি কীসের তল্লাশে এসেছেন?
তাদের বাড়িঘর আমরা দখল করেছি, ফেরত চাইবে না তো? ছিন্নমূলের কাহিনি সব দেশেই যে এক সেটা আবার জেনেছি।
প্রাগের সন্ধ্যায় ছায়াময় রহস্যময় অলিগলিতে খুঁজেছি কাফকার পদ চিহ্ন, ভুলতে পারি না ভুাতাভা নদীর ওপরে চার্লস ব্রিজের সেতুতে দাঁড়িয়ে দেখা সেতুর সারি। স্মেতানার মা স্নাক্তের সুর আমাকে বিষণ্ণ করে।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""